পৃষ্ঠাসমূহ

রাধারমন দত্ত লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
রাধারমন দত্ত লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১২

কারে দেখাবো মনের দুঃখ গো


কারে দেখাবো মনের দুঃখ গো
আমি বুক চিড়িয়া ।
অন্তরে তুষেরই অনল
জ্বলে গইয়া গইয়া ।।

ঘর বাঁধলাম প্রাণবন্ধের সনে
কত কথা ছিল মনে গো ।
ভাঙ্গিল আদরের জোড়া
কোন জন বাদী হইয়া ।।

কার ফলন্ত গাছ উখারিলাম
কারে পুত্রশোকে গালি দিলাম গো ।
না জানি কোন অভিশাপে
এমন গেল হইয়া ।।

কথা ছিল সঙ্গে নিব
সঙ্গে আমায় নাহি নিল গো ।
রাধারমণ ভবে রইল
জিতে মরা হইয়া ।।


বৃহস্পতিবার, ১৫ মার্চ, ২০১২

দুঃখে গেল কাল


তোরা শোন গো নিরব


কৃষ্ণ আমার আঙিনাতে আইতে মানা করি


কৃষ্ণ আমার আঙিনাতে আইতে মানা করি।
মান ছাড় কিশোরী।
যাও যাও রসরাজ, এইখানে নাহি কাজ
যাওগি তোমার চন্দ্রাবলীর বাড়ি।
চন্দ্রাবলীর বাসরেতে সারারাত পোহাইলার রঙ্গে
এখন বুঝি আইছ আমার মন রাখিবারে।
ভাবিয়া রাধারমণ বলে দয়ানি করিবে মোরে
কেওড় খোলো রাধিকা সুন্দরী।

মান ভাঙ রাই কমলিনি চাও গো নয়ন তুলিয়া


মান ভাঙ রাই কমলিনি চাও গো নয়ন তুলিয়া
কিঞ্চিত দোষের দোষী আমি চন্দ্রার কুঞ্জে গিয়া।
এক দিবসে রঙে ঢঙে গেছলাম রাধার কুঞ্জে
সেই কথাটি হাসি হাসি কইলাম তোমার কাছে।
আরেক দিবস গিয়া খাইলাম চিড়া পানের বিড়া
আর যদি যাই চন্দ্রার কুঞ্জে দেওগো মাথার কিরা।
হস্তবুলি মাথে গো দিলাম তবু যদি না মান
আর কতদিন গেছি গো রাধে সাক্ষী প্রমাণ আন।
নিক্তি আন ওজন কর দন্দলে বসাইয়া
অল্প বয়সের বন্ধু তুমি মাতি না ডরাইয়া।
ভাইরে রাধামরণ বলে মনেতে ভাবিয়া
আইজ অবধি কৃষ্ণনাম দিলাম গো ছাড়িয়া।

শ্যামল বরণ রূপে মন নিল হরিয়া


শ্যামল বরণ রূপে মন নিল হরিয়া
কুক্ষণে গো গিয়াছিলাম জলের লাগিয়া
কারো নিষেধ না মানিয়া সখি গো ।।
আবার আমি জলে যাব ভরা জল ফেলিয়া
জল লইয়া গৃহে আইলাম প্রাণটি বান্ধা থুইয়া
আইলাম শুধু দেহ লইয়া সখি গো ।।
কি বলব সই রূপের কথা শোন মন দিয়া
বিজলি চটকের মতো সে যে রইয়াছে দাঁড়াইয়া
আমার বাঁকা শ্যাম কালিয়া সখি গো ।।
ভাইবে রাধারমণ বলে মনেতে ভাবিয়া
মনে লয় তার সঙ্গে যাইতাম ঘরের বাহির হইয়া
আমি না আসব ফিরিয়া সখি গো ।।

প্রাণ সখিরে ঐ শোন কদম্বতলে বাঁশি বাজায় কে



প্রাণ সখিরে
ঐ শোন কদম্বতলে বাঁশি বাজায় কে।
বাঁশি বাজায় কে রে সখি, বাঁশি বাজায় কে ॥
এগো নাম ধরিয়া বাজায় বাঁশি, তারে আনিয়া দে।
অষ্ট আঙ্গুল বাঁশের বাঁশি, মধ্যে মধ্যে ছেদা
নাম ধরিয়া বাজায় বাঁশি, কলঙ্কিনী রাধা ॥
কোন বা ঝাড়ের বাঁশের বাঁশি, ঝাড়ের লাগাল পাই।
জড়ে পেড়ে উগরাইয়া, সায়রে ভাসাই ॥
ভাইবে রাধারমণ বলে, শুন গো ধনি রাই।
জলে গেলে হবে দেখা, ঠাকুর কানাই ॥

শ্যামকালিয়া সোনা বন্ধুরে


শ্যামকালিয়া সোনা বন্ধুরে, ও বন্ধু
নিরলে তোমারে পাইলাম না, বন্ধু নিরলে তোমারে পাইলাম না।

ওই আমার মনে যত দুখঃ ছিলরে, বন্ধু
খুলিয়া কইলাম নারে বন্ধুরে, বন্ধু নিরলে তোমারে পাইলাম না,
শ্যামকালিয়া সোনা বন্ধুরে,
নিরলে তোমারে পাইলাম না, বন্ধু নিরলে তোমারে পাইলাম না।

ফুলের আসন ফুলের বসনরে,
আরে ও বন্ধু ফুলেরই বিছানা॥
হৃদকমলে শোয়াচন্দন ছিটাইয়া দিলাম না,
ও তোমার  হৃদকমলে শোয়াচন্দন ছিটাইয়া দিলাম না।
শ্যামকালিয়া সোনা বন্ধুরে,
নিরলে তোমারে পাইলাম না, বন্ধু নিরলে তোমারে পাইলাম না।

ক্ষীর ক্ষীরিয়া মাখন ছানারে,
আরে ও বন্ধু রসের ও কমলা।।
দুইও হস্তে চান্দো মুখেরে বন্ধু তুলিয়া দিলাম নারে বন্ধু
ওই আমার দুইও হস্তে চান্দো মুখেরে বন্ধু তুলিয়া দিলাম নারে,
বন্ধু নিরলে তোমারে পাইলাম না।

ভাইবে রাধারমন বলেরে আরে ওবন্ধু
মনে যেই বাসনা।।
তোমারও প্রিরিতে আমাইরে ওবন্ধু নইররিশা কইরো না।
ওরে তোমারও প্রিরিতে আমাইরে ওবন্ধু নইররিশা কইরো না।।

ওই আমার মনে যত দুখঃ ছিলরে, বন্ধু
খুলিয়া কইলাম নারে বন্ধুরে, বন্ধু নিরলে তোমারে পাইলাম না,
শ্যামকালিয়া সোনা বন্ধুরে, ও বন্ধু
নিরলে তোমারে পাইলাম না, বন্ধু নিরলে তোমারে পাইলাম না।




পিরিতি বিষম জ্বালা, সয় না আমার গায়


পিরিতি বিষম জ্বালা, সয় না আমার গায়
কুল নিল গো শ্যামের বাঁশি প্রাণ নিল কালায় |
ঘরে বাইরে থাকে বন্ধু ওই পিরিতের দায়,
কুল নিল গো শ্যামের বাঁশি প্রাণ নিল কালায় |
কালা তো সামান্য নয়,রাধার মন ভুলায়,
কুল নিল গো শ্যামের বাঁশি প্রাণ নিল কালায় |
ভাইবে রাধারমণ বলে শোন গো ললিতায় ||
কুল নিল গো শ্যামের বাঁশি প্রাণ নিল কালায় | |

পিরিতি বিষম জ্বালা, সয় না আমার গায় 
কুল নিল | গো শ্যামের বাঁশি প্রাণ নিল কালায় | 

অন্তরে তুষেরই অনল


কারে দেখাবো মনের দুঃখ গো আমি বুক চিরিয়া ।
অন্তরে তুষেরই অনল জ্বলে গইয়া গইয়া ।।
ঘর বাঁধলাম প্রাণবন্ধের সনে কত কথা ছিল মনে গো ।
ভাঙ্গিল আদরের জোড়া কোন জন বাদী হইয়া ।।
কার ফলন্ত গাছ উখারিলাম কারে পুত্রশোকে গালি দিলাম গো ।
না জানি কোন অভিশাপে এমন গেল হইয়া ।।
কথা ছিল সঙ্গে নিব সঙ্গে আমায় নাহি নিল গো ।
রাধারমণ ভবে রইল জিতে মরা হইয়া ।।

ভ্রমর কইয়ো গিয়া


ভ্রমর কইও গিয়া
শ্রীকৃষ্ণ বিচ্ছেদের অনলে
অঙ্গ যায় জ্বলিয়ারে
ভ্রমর কইও গিয়া

কইও কইও কইওরে ভ্রমর
কৃষ্ণরে বুঝাইয়া
মুই রাধা মইরা যামুরে
কৃষ্ণহারা হইয়া রে
ভ্রমর কইও গিয়া

ভ্রমররে…
আগে যদি জানতাম রে ভ্রমর
যাইবা রে ছাড়িয়া
মাথার কেশর দুইভাগ কইরা
রাখিতাম বান্ধিয়া রে
ভ্রমর কইও গিয়া

ভ্রমররে…
ভাইবে রাধারমণ বলে
শোন রে কালিয়া
নিভা ছিল মনের আগুন
কী দিলা জ্বালাইয়া রে
ভ্রমর কইও গিয়া


Add