পৃষ্ঠাসমূহ

সোমবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১২

আমি গান গাইতে পারি না


গানে মিলে প্রাণের সন্ধান, সেই গান গাওয়া হলনা
আমি গান গাইতে পারি না।

জানিনা ভাব-ক্রান্তি গাইতে পারিনা সেই গান
যেই গান গাইলে মিলে আঁধারে আলোর সন্ধান
গাইলেন লালন, রাধা রমণ, হাসন রাজা দেওয়ানা
আমি গান গাইতে পারি না

বাউল মুকুন্দ দাস গেয়েছেন দেশেরই গান
বিদ্রোহী নজরুলের গানে পাইলেন মুক্তির সন্ধান
ভাবের গান গাইতে গেলে অভাবে ভাব জাগেনা
আমি গান গাইতে পারি না

আরকুম শাহ্, সিতালং ফকির বলেছেন 'মারফতি গাও'
সৈয়দ শাহ্ নূরের গানে শুকনাতে দৌড়াইলেন নাও
করিম বলে প্রাণ খুলে গাও গাইতে যাদের বাসনা
আমি গান গাইতে পারি না।


ও রে সাম্পানওয়ালা তুই আমারে করলি দেওয়ানা

ওরে সাম্পানওয়ালা তুই আমারে করলি দিওয়ানা 
তুই আমারে,তুই আমারে 
তুই আমারে করলি দিওয়ানা রে সাম্পানওয়ালা.. 

দেইখা রে তোর মুখের হাসি, 
আমার মন হইলো উদাসী 
ঘরে থাকতে,ঘরে থাকতে 
ঘরে থাকতে আমি পারিনা ও রুপসুন্দরি 
তুই আমারে করলি দিওয়ানা 
ওরে রুপ সুন্দরি তুই আমারে করলি দিওয়ানা 

আহা কি রুপ মরি মরি, 
লাগে যেন স্বর্গের পরী 
না দেখলে রুপ,না দেখলে রুপ 
না দেখলে রুপ প্রাণ তো বাঁচেনা 
ও রুপসুন্দরি তুই আমারে করলি দিওয়ানা

সুজন মাঝি রে, কোন পাড়ে লাগাইবা তোমার নাউ


সুজন মাঝি রে, কোন পাড়ে লাগাইবা তোমার নাউ,
আমি সুখের আশায় বইসা আসি, আমায় লইয়া যাও,
কোন পাড়ে লাগাইবা তোমার নাউ।

সুজন মাঝি রে, কোন পাড়ে লাগাইবা তোমার নাউ,
এ পাড়েতে আধা সেনা, ও পাড়েতে মাও যাতনা গো,
হয়না আমার পাড়ে যাওয়া, ভুললাম সেই নিবিড় ছাওয়া,
রক্ত শুধু দেখিয়া যাই, কোন পাড়ে লাগাইবা তোমার নাউ।

সুজন মাঝি রে, কোন পাড়ে লাগাইবা তোমার নাউ,
দিদির আবার ওই শান্তি সেনা, আমি করি গান রচনা গো,
ভোট আসে ভোট যায় আবার, ভোটের পরেই সব পগাড় পার,
হাওয়াতে মিলিয়া যায়, কোন পাড়ে লাগাইবা তোমার নাউ।

সুজন মাঝি রে, কোন পাড়ে লাগাইবা তোমার নাউ,
বৃদ্ধ বাবুর অনেক জ্বালা, গিলছেনা কেউ কথার খেলা গো,
রানি রাজায় যুদ্ধ হয়, আমাদেরি পরান যায়,
কি করি আজ ভেবে না পাই, কোন পাড়ে লাগাইবা তোমার নাউ।

ওলো, সুজন মাঝি রে, কোন পাড়ে লাগাইবা তোমার নাউ।


Add